Category: বাণিজ্য

  • ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ১৬.৪৩% কমেছে

    ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ১৬.৪৩% কমেছে

    চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানি সামগ্রিকভাবে ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই মন্দাভাব বিশ্বব্যাপী সরবরাহকারীদের উপর প্রভাব ফেলেছে এবং একাধিক দেশের রফতানি সংখ্যা নেতিবাচক হয়েছে।

    বাংলাদেশের পোশাক খাত এই বৈশ্বিক মন্দায় আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানুয়ারি থেকে জুন মাসে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ১৬.৪৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা বৈশ্বিক গড় থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

    শিল্প বিশ্লেষকরা ইইউ বাজারে চাহিদা হ্রাস এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণের কারণে এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করছেন। আগামী মাসগুলিতে রফতানি সংখ্যা কীভাবে পরিবর্তিত হয় তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

  • গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত, সমাধানে সময় লাগবে

    গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত, সমাধানে সময় লাগবে

    সিলেটের ধোপাদিঘীরপার এলাকায় শনিবার একটি কৃষি বিষয়ক কর্মশালার পর বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন যে চলমান গ্যাস সংকট দেশের শিল্পকারখানাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    মন্ত্রী জানিয়েছেন যে এই সমস্যার সমাধান করতে সময় প্রয়োজন হবে। তিনি আশা করেন যে উপযুক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    গ্যাস সরবরাহ জনিত এই চ্যালেঞ্জ দেশের উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলছে বলে জানা যাচ্ছে।

  • দেশের একাধিক অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা বাধাগ্রস্ত

    দেশের একাধিক অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা বাধাগ্রস্ত

    বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ ধীর গতিতে কাজ করছে। বিএসসিপিএলসি জানিয়েছে যে কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সি-এমই-ডব্লিউই-৫ প্রভাবিত হয়েছে।

    দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে উক্ত কেবলের সংযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই বিচ্ছিন্নতা প্রায় আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী ছিল, যার ফলে দেশের একাধিক অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।

    বর্তমানে সংযোগ পুনরুদ্ধারের কাজ চলমান রয়েছে। এ ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।

  • গ্যাস সংকট শিল্পকে থেমে রেখেছে, অর্থনীতি ঝুঁকিতে

    গ্যাস সংকট শিল্পকে থেমে রেখেছে, অর্থনীতি ঝুঁকিতে

    দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন কারখানা বন্ধ হয়েছে অথবা উৎপাদন কমিয়েছে। এই পরিস্থিতি কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং অপরিহার্য পণ্যের সরবরাহে গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

    শিল্প খাতের এই সংকট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল করছে। পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত এই সংকট মোকাবেলা না করলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধিতে বাধা আসবে।

  • এসএসসি পাসদের জন্য রাইজ ফ্রি এআই সাবস্ক্রিপশন অফার

    এসএসসি পাসদের জন্য রাইজ ফ্রি এআই সাবস্ক্রিপশন অফার

    যুব-কেন্দ্রিক এআই ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড রাইজ এই বছরের এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অফার চালু করেছে। এই প্রচারে ১৩ থেকে ১৫ আগস্ট রাইজ ফ্লাই প্যাক ক্রয়কারীরা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনে এআই টুলস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

    মাত্র ৪৯৭ টাকায় ফ্লাই প্যাক কিনলে গ্রাহকরা ৩০ দিনের বিনামূল্যে এআই হাব প্রিমিয়াম ‘কোর’ সেবা পাবেন। এই সেবা তরুণ শিক্ষার্থীদের এআই প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ডিজাইন করা হয়েছে।

    রাইজ এর এই উদ্যোগ তরুণদের ডিজিটাল যুগে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করার পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিকে সবার নাগালের মধ্যে আনার প্রচেষ্টার অংশ।

  • বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের আগ্রহ

    বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের আগ্রহ

    সিঙ্গাপুরের বৈদেশিক মন্ত্রী বাংলাদেশের বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের আগ্রহ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে এই প্রকল্পটি অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সিঙ্গাপুর এতে অংশগ্রহণে আগ্রহী।

    বাংলাদেশ এবং সিঙ্গাপুরের মধ্যে স্বাধীন বাণিজ্য চুক্তি ব্যবসায়িক সুযোগ আরও বৃদ্ধি করবে বলে তিনি মনে করেন। এই চুক্তি দুই দেশের উদ্যোক্তা এবং কোম্পানিগুলির জন্য নতুন দরজা খুলে দেবে।

    বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন অঞ্চলের বাণিজ্য ও সংযোগ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • মার্কিন উৎপাদন বৃদ্ধিতে শুল্ক সঠিক সমাধান নয় বলে বিশেষজ্ঞরা

    মার্কিন উৎপাদন বৃদ্ধিতে শুল্ক সঠিক সমাধান নয় বলে বিশেষজ্ঞরা

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুল্কের উপর নির্ভরশীল নীতির মাধ্যমে চিহ্নিত হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন যে এই ব্যবস্থা আসলেই মার্কিন উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর কিনা।

    শুল্ক আরোপের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও, বিশ্লেষকরা মনে করেন এটি ভোক্তা মূল্য বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য তারা অন্যান্য কৌশলের পরামর্শ দিচ্ছেন।

    আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থাগুলি দেখাচ্ছে যে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গবেষণা বিনিয়োগ শুল্কের তুলনায় দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর হতে পারে।

  • মূল্যস্ফীতি কমলেও খুচরা দাম ও পরিবার খরচ বেড়েই আছে

    মূল্যস্ফীতি কমলেও খুচরা দাম ও পরিবার খরচ বেড়েই আছে

    সরকারের বছরব্যাপী মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭.৫ শতাংশ অর্জনের দিকে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে কাগজে-কলমে। কিন্তু শহর ও গ্রামের বাজারে সাধারণ মানুষের বাজেটে এর কোনো প্রভাব পড়ছে না।

    এই পার্থক্য একটি সাধারণ পরিসংখ্যানিক বাস্তবতা প্রকাশ করে—মূল্যস্ফীতির হার কমা মানে দাম বৃদ্ধির গতি ধীর হওয়া, বাজারে পণ্যের প্রকৃত দাম কমা নয়। জুলাইয়ে শিরোনাম মূল্যস্ফীতি ৮.৩২ শতাংশে পৌঁছেছিল।

    পরিবারগুলি এখনও খাদ্য ও দৈনন্দিন পণ্যের উচ্চ খরচের সাথে লড়াই করছে, যদিও অর্থনৈতিক সূচকগুলি ধীরে ধীরে উন্নতি দেখাচ্ছে।

  • তিন পাটকল চালু হবে, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার চাকরি

    তিন পাটকল চালু হবে, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার চাকরি

    দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা তিনটি সরকারি পাটকল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই মিলগুলি বেসরকারি খাতের দুটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘমেয়াদী লিজ দেওয়া হয়েছে। ১১ আগস্ট সোমবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের মধ্যে লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় পাটকল পরিচালনা করবে। অন্য দুটি মিলের ব্যবস্থাপনায় হ্যামকো গ্রুপ নিয়োজিত থাকবে। পুনঃচালুকরণের ফলে স্থানীয় কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১১ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়াও পরোক্ষভাবে আরও অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। পাটশিল্পের পুনরুজ্জীবন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

  • পাট খাতের পুনরুজ্জীবনে সরকারের পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা

    পাট খাতের পুনরুজ্জীবনে সরকারের পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা

    বাংলাদেশের পাট খাতকে নতুনভাবে সাজাতে সরকার পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পাটকে নতুন মর্যাদা দেবে। দীর্ঘদিন ধরে পুরনো প্রযুক্তি, দুর্বল ব্র্যান্ডিং এবং সীমিত পণ্য বৈচিত্র্য পাট শিল্পের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    বিশ্ববাজারে পাটের চাহিদা এখনও উল্লেখযোগ্য, কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং বৈশ্বিক বাজারে সীমিত প্রবেশাধিকার পাটজাত পণ্যের রপ্তানি হ্রাস করেছে। তাই সরকারের এই পরিকল্পনা সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয়।

    কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রযুক্তি আপগ্রেড, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই উদ্যোগ পাট খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।