Category: বাণিজ্য

  • মূল্যস্ফীতি কমলেও খুচরা দাম ও পরিবার খরচ বেড়েই আছে

    মূল্যস্ফীতি কমলেও খুচরা দাম ও পরিবার খরচ বেড়েই আছে

    সরকারের বছরব্যাপী মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭.৫ শতাংশ অর্জনের দিকে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে কাগজে-কলমে। কিন্তু শহর ও গ্রামের বাজারে সাধারণ মানুষের বাজেটে এর কোনো প্রভাব পড়ছে না।

    এই পার্থক্য একটি সাধারণ পরিসংখ্যানিক বাস্তবতা প্রকাশ করে—মূল্যস্ফীতির হার কমা মানে দাম বৃদ্ধির গতি ধীর হওয়া, বাজারে পণ্যের প্রকৃত দাম কমা নয়। জুলাইয়ে শিরোনাম মূল্যস্ফীতি ৮.৩২ শতাংশে পৌঁছেছিল।

    পরিবারগুলি এখনও খাদ্য ও দৈনন্দিন পণ্যের উচ্চ খরচের সাথে লড়াই করছে, যদিও অর্থনৈতিক সূচকগুলি ধীরে ধীরে উন্নতি দেখাচ্ছে।

  • তিন পাটকল চালু হবে, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার চাকরি

    তিন পাটকল চালু হবে, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার চাকরি

    দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা তিনটি সরকারি পাটকল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই মিলগুলি বেসরকারি খাতের দুটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘমেয়াদী লিজ দেওয়া হয়েছে। ১১ আগস্ট সোমবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের মধ্যে লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় পাটকল পরিচালনা করবে। অন্য দুটি মিলের ব্যবস্থাপনায় হ্যামকো গ্রুপ নিয়োজিত থাকবে। পুনঃচালুকরণের ফলে স্থানীয় কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১১ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়াও পরোক্ষভাবে আরও অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। পাটশিল্পের পুনরুজ্জীবন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

  • পাট খাতের পুনরুজ্জীবনে সরকারের পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা

    পাট খাতের পুনরুজ্জীবনে সরকারের পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা

    বাংলাদেশের পাট খাতকে নতুনভাবে সাজাতে সরকার পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পাটকে নতুন মর্যাদা দেবে। দীর্ঘদিন ধরে পুরনো প্রযুক্তি, দুর্বল ব্র্যান্ডিং এবং সীমিত পণ্য বৈচিত্র্য পাট শিল্পের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    বিশ্ববাজারে পাটের চাহিদা এখনও উল্লেখযোগ্য, কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং বৈশ্বিক বাজারে সীমিত প্রবেশাধিকার পাটজাত পণ্যের রপ্তানি হ্রাস করেছে। তাই সরকারের এই পরিকল্পনা সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয়।

    কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রযুক্তি আপগ্রেড, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই উদ্যোগ পাট খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

  • বিকাশ মার্চেন্টরা অ্যাপের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা ঋণ পাচ্ছেন

    বিকাশ মার্চেন্টরা অ্যাপের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা ঋণ পাচ্ছেন

    বিকাশ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম তার মার্চেন্টদের জন্য একটি নতুন ঋণ সুবিধা চালু করেছে। এই সুবিধায় মার্চেন্টরা কোনো জামানত ছাড়াই ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন শুধুমাত্র বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে।

    ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের প্রধান শর্ত হল মার্চেন্টের নিয়মিত লেনদেনের ইতিহাস। যে মার্চেন্ট যত বেশি নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করবেন, তার ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা এবং অনুমোদিত পরিমাণ তত বেশি হবে।

    এই পদক্ষেপটি ছোট ব্যবসায়ী এবং মার্চেন্টদের জন্য দ্রুত মূলধন সংগ্রহের একটি সহজ উপায় প্রদান করে। লেনদেন ভিত্তিক এই ঋণ পদ্ধতি ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারকারীদের আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

  • সুপারশপ স্বপ্নের আউটলেট সংখ্যা হাজার অতিক্রম করেছে

    সুপারশপ স্বপ্নের আউটলেট সংখ্যা হাজার অতিক্রম করেছে

    সুপারশপ স্বপ্ন খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির আউটলেটের সংখ্যা এখন এক হাজার একটি ছাড়িয়ে গেছে, যা দেশের খুচরা বাণিজ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

    এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে গ্রাহকদের আস্থা, কর্মীদের নিবেদিত প্রচেষ্টা এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের ধারাবাহিক সহযোগিতার কারণে। প্রতিটি আউটলেট গ্রাহকদের জন্য গুণমান এবং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা আরও সহজলভ্য করার এই উদ্যোগ খুচরা খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

  • ছোট শুরু থেকে ৩৫ জনের কর্মসংস্থান, ‘গোলাপ মামার’ হোটেলের সাফল্য

    ছোট শুরু থেকে ৩৫ জনের কর্মসংস্থান, ‘গোলাপ মামার’ হোটেলের সাফল্য

    মাত্র ১৫ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করা একটি ছোট উদ্যোগ আজ সফল ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়েছে। ‘গোলাপ মামার’ নামের এই হোটেলটি এখন ৩৫ জন কর্মচারীকে নিয়োগ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।

    উদ্যোক্তার কঠোর পরিশ্রম এবং গ্রাহক সেবায় নিবেদন এই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। সীমিত পুঁজি থেকে শুরু করে এখন এটি একটি সম্মানিত ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

    এই সাফল্যের গল্প অন্যান্য উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা যে ছোট স্বপ্ন থেকেও বড় ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। একই সাথে হোটেলটি সমাজের বিভিন্ন মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী পোশাক রপ্তানি বাড়ছে

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী পোশাক রপ্তানি বাড়ছে

    ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে সামগ্রিক চাহিদা কমেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ এশিয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেখাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক অফিসের (ওটেক্সা) সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানি মূল্যে ৮.০৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩৫.০৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এই সময়ে চীন ও ভারতের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে পড়েছে।

    বৈশ্বিক বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের পোশাক শিল্প তার রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটি দেশের পোশাক সেক্টরের স্থিতিস্থাপকতা এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতার প্রমাণ।

  • মধুপুরের আনারস দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

    মধুপুরের আনারস দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

    মধুপুরের আনারস সারাদেশে ক্রমবর্ধমান চাহিদা লাভ করছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে উৎপাদিত আনারস বাজারে টিকে ১৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    স্থানীয় কৃষকরা এই ফসলের মাধ্যমে আয়ের নতুন উপায় খুঁজে পেয়েছেন। মধুপুরের জলবায়ু এবং মাটি আনারস চাষের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

    ঢাকা সহ দেশের বড় শহরগুলিতে মধুপুরের আনারসের সরবরাহ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পণ্যটি রপ্তানি সম্ভাবনাও রয়েছে বলে বাণিজ্য মহল মনে করছে।

  • পদ্মা ব্যারেজ জিডিপি বৃদ্ধি ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে

    পদ্মা ব্যারেজ জিডিপি বৃদ্ধি ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে

    অর্থ উপদেষ্টা বলেছেন, প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১ শতাংশ পর্যন্ত অবদান রাখতে পারে। এই প্রকল্পটি পানি নিরাপত্তা, কৃষি এবং জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    বিভিন্ন বক্তারা উল্লেখ করেছেন যে এই পরিকল্পনা দেশের কৃষি উৎপাদন শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি এটি দেশের জল সম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতের জলবায়ু চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

    পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় অবকাঠামো প্রকল্প হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • ভারতের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান আইসিসি

    ভারতের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান আইসিসি

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রিবিউনাল (আইসিসি) বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

    আইসিসি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পারস্পরিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে উভয় দেশই উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এই পদক্ষেপটি আঞ্চলিক সংযোগ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির একটি অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার এই উদ্যোগ আসন্ন কয়েক মাসে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে।