মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং জেট জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক এয়ারলাইন্সগুলি মে মাসে ১৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই পদক্ষেপ জ্বালানি সংকটের প্রভাব কমাতে এবং খরচ নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফ্লাইট বাতিল না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। এয়ারলাইন্সগুলি বর্তমান পরিস্থিতিতে সেবা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফ্লাইট কমিয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্বালানির দামের উত্থান-পতন চলছে। এয়ারলাইন ইন্ডাস্ট্রি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

Leave a Reply