পলাশের বাবা চেয়েছিলেন তার ছেলেও প্রকৌশলী হোক। কিন্তু পলাশের স্বপ্ন ছিল ভিন্ন—বিনোদন জগতে ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছিলেন। এই মতানৈক্য পরিবারে চাপ তৈরি করেছিল।
এসএসসি পরীক্ষায় পলাশ প্রথমবার অনুত্তীর্ণ হন। ফলাফল জানার পর পলাশের মা গভীর মানসিক আঘাত পান এবং অচেতন হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় পনেরো দিন পর তিনি জ্ঞান ফিরে পান।
এই ঘটনা পরিবারের প্রত্যাশা এবং সন্তানের আগ্রহের মধ্যে সামঞ্জস্যের গুরুত্ব তুলে ধরে। শিক্ষাক্ষেত্রে সফলতার জন্য পারিবারিক সহায়তা এবং পেশা নির্বাচনে সন্তানের মতামতের মূল্য দেওয়া অপরিহার্য।

Leave a Reply