Category: জাতীয়

  • অনলাইন জুয়া: শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত পরিবার ধ্বংস

    অনলাইন জুয়া: শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত পরিবার ধ্বংস

    দেশজুড়ে অনলাইন বেটিং অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই অ্যাপগুলি সহজ অর্থ উপার্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করছে। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সব জায়গায় লোকজন এই প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ করছে।

    জুয়া খেলায় অসংখ্য মানুষ তাদের পারিবারিক সঞ্চয় হারাচ্ছেন। অনেকে জমি বিক্রি করেছেন এবং ঋণে নিমজ্জিত হয়েছেন। এই অ্যাপগুলি বিদেশ ভিত্তিক সার্ভার থেকে পরিচালিত হওয়ায় স্থানীয় পুলিশের নাগাল বাইরে রয়েছে।

    প্রশাসন এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম ধরতে সংগ্রাম করছে কারণ অপারেটররা বিদেশে থেকে কাজ করছেন। অনলাইন জুয়ার এই বিস্তার পরিবার এবং সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

  • মোটরসাইকেল থামিয়ে নারী, অভিযোগ দিয়ে চালককে মারধর ও লুট

    মোটরসাইকেল থামিয়ে নারী, অভিযোগ দিয়ে চালককে মারধর ও লুট

    ঢাকায় একজন মোটরসাইকেল চালক এক নারীর কথা শুনতে থামলে পরে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে আক্রমণের শিকার হন। এই ঘটনায় চালক গুরুতর আহত হন এবং তার মূল্যবান সম্পদ লুট হয়ে যায়।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নারীটি আগে থেকেই এই ধরনের ঘটনা পরিকল্পনা করেছিল। তিনি রাস্তায় মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সংকেত দেন এবং চালক থামলে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের মিথ্যা অভিযোগ তোলেন।

    এর পরেই অন্যরা এসে চালকের উপর হিংসা করে এবং তার নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যায়। ঘটনার পর পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত

    রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের সামনে ছাত্রদল সদস্যরা সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। এই ঘটনায় একাধিক সাংবাদিক ও শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

    হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম। অন্যান্য সাংবাদিকরাও আঘাত পেয়েছেন।

    এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে। আহতদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

  • প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার জনগণের কাছে করা প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি একটি পাঁচ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিনিয়োগের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।

    এই কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি শক্তিশালী করা এবং যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেছেন যে সরকার স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার সাথে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে এবং নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন করবে।

  • তিন মাসে ১৬২ সাংবাদিক হামলা ও হুমকির শিকার

    তিন মাসে ১৬২ সাংবাদিক হামলা ও হুমকির শিকার

    সাংবাদিক ঐক্য সংস্থা (এমআইডি) জানিয়েছে, গত তিন মাসে দেশে ১৬২ সাংবাদিক বিভিন্ন ধরনের হামলা, হুমকি এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই তথ্য সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

    এমআইডি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই ধরনের আক্রমণ ও হুমকির বিষয়ে সীমিত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ঘটনায় উপযুক্ত তদন্ত এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হচ্ছে না বলে সংস্থাটি মনে করছে।

    সংবাদমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাদার কাজে বাধামুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি জরুরি বলে সংস্থাটি বারবার জোর দিয়ে আসছে।

  • ভুল ধরা পড়লে সংশোধন করবে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    ভুল ধরা পড়লে সংশোধন করবে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানিয়েছেন যে জনগণ যদি কোনো ত্রুটি বা সমস্যা চিহ্নিত করেন, তাহলে সরকার তা সংশোধনের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তিনি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং প্রতিক্রিয়া প্রদানের জন্য উৎসাহিত করেছেন।

    মন্ত্রী স্থানীয় সরকার বিভাগের কাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে জনসাধারণের মতামত এবং পরামর্শ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    এই মন্তব্যটি স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সাধারণ মানুষের সহযোগিতার উপর জোর দেয়। সরকার জনঅংশীদারিত্বমূলক পদ্ধতিতে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

  • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সংকট নেই

    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সংকট নেই

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকট নেই। শুক্রবার বিশ্ব হাসি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এক কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

    মন্ত্রী প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায় সঠিকভাবে এগিয়ে চলেছে এবং সকল লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের একটি মেগা প্রকল্প যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • এমআরটি প্রকল্পের জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার ক্রয় অনুমোদন

    এমআরটি প্রকল্পের জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার ক্রয় অনুমোদন

    কেন্দ্রীয় সংগ্রহণ পরিষদ (সিসিজিপি) ঢাকার মেট্রো রেপিড ট্রানজিট প্রকল্পের জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার সরঞ্জাম ও সেবা ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে। এই অনুমোদনটি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জিআইসিএ) দ্বারা সমর্থিত পরিকল্পনার অংশ।

    অনুমোদিত আটটি প্যাকেজে রয়েছে নির্মাণকাজ, স্টেশন নির্মাণ, ট্র্যাক স্থাপন, বিদ্যুৎ সুবিধা এবং সংকেত ব্যবস্থা সংক্রান্ত কাজ। এছাড়াও ডিপো নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়ন এই প্যাকেজগুলির অন্তর্ভুক্ত।

    এই প্রকল্পগুলি ঢাকায় দ্রুত যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং শহরের যানজট কমাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • তামাক নিয়ন্ত্রণে আইন বাস্তবায়ন জরুরি

    তামাক নিয়ন্ত্রণে আইন বাস্তবায়ন জরুরি

    দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন রয়েছে, কিন্তু সেগুলো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় শুধু আইন থাকলেই চলে না, এর সঠিক প্রয়োগ এবং বাস্তবায়ন অপরিহার্য। বর্তমান পরিস্থিতিতে তামাক ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি।

    তামাক পণ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ, বিক্রয় স্থানে নিয়ম মেনে চলা এবং মূল্য বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন যাতে আইনগুলো সত্যিকারের কার্যকর হয়।

    জনস্বাস্থ্য রক্ষা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া যা আইন, প্রশাসন এবং জনসচেতনতার সমন্বয় দাবি করে। তামাক নিয়ন্ত্রণকে উপেক্ষা করা মানে ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ানো। তাই এই বিষয়ে আর দেরি করা যায় না।

  • বাংলাদেশে হৃদেরাগজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ

    বাংলাদেশে হৃদেরাগজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ

    বাংলাদেশে হৃদেরাগজনিত মৃত্যু উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪ শতাংশ হৃদেরাগের কারণে ঘটে। ২০২৪ সালে হৃদেরাগজনিত অসুস্থতায় প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।

    এই মৃত্যুর অধিকাংশের জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ। হৃদেরাগজনিত মৃত্যুর ৫২ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত। বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যানেও উচ্চ রক্তচাপ অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দেশে হৃদেরাগজনিত মৃত্যুর একটি বড় অংশ অকাল মৃত্যু। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরছেন।