Category: শিক্ষা

  • একাদশে ভর্তিতে নতুন নীতিমালা: এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচন

    একাদশে ভর্তিতে নতুন নীতিমালা: এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচন

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। আবেদনের শুরু হবে ২ সেপ্টেম্বর থেকে।

    নীতিমালায় কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে মোট আসনের ৭ শতাংশ। শিক্ষার্থী নির্বাচনে সমান জিপিএ পেলে মেধাক্রম নির্ধারণের নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

    এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

  • ফর্ম প্রতারণার পর নাটোরের ৮ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিল

    ফর্ম প্রতারণার পর নাটোরের ৮ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিল

    নাটোরের লালপুর এলাকায় ফর্ম পূরণের নামে প্রতারণার শিকার আবদুলপুর সরকারি কলেজের আট শিক্ষার্থী অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় তারা বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামীম আরা চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রতারণার কারণে পূর্বে এই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেনি।

    শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য পৃথক ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে তারা স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারে।

  • বিআরটিসিতে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ, মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা

    বিআরটিসিতে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ, মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জন্য ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু করছে। এই প্রোগ্রামে মোট দুজন ইন্টার্ন নিয়োগ দেওয়া হবে।

    নির্বাচিত ইন্টার্নরা মাসিক দশ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এই সুযোগটি যুবকদের পরিবহন খাতে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।

    বিআরটিসি থেকে আসা এই তথ্য অনুসারে, আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট যোগ্যতা এবং শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিআরটিসির অফিসিয়াল চ্যানেলে যোগাযোগ করা যাবে।

  • রাশিয়ান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভিসা ও পাসপোর্ট হস্তান্তর

    রাশিয়ান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভিসা ও পাসপোর্ট হস্তান্তর

    রাশিয়ান হাউস ঢাকা রাশিয়ার সরকারের বৃত্তি পেয়েছেন এমন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে স্কলারশিপবিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাদের রাশিয়ান ভিসা প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট গ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে রাশিয়ায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া নতুন বৃত্তিপ্রাপ্তরা ছাড়াও রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সেখানে একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জনকারী ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এই কার্যক্রমটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ সুগম করার জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ।

  • মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করুন, শুধু ভবন নয়: ডেপুটি স্পিকার

    মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করুন, শুধু ভবন নয়: ডেপুটি স্পিকার

    নেত্রকোণার দুর্গাপুর এলাকায় বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

    রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বিরিশিরি কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং তাদের ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়।

  • এসএসসি পরীক্ষায় উচ্চ ব্যর্থতার হার নিয়ে আশঙ্কা

    এসএসসি পরীক্ষায় উচ্চ ব্যর্থতার হার নিয়ে আশঙ্কা

    বাংলাদেশে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসি) পরীক্ষা দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের একাডেমিক এবং পেশাগত ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। তবে এ বছরের এসএসি পরীক্ষায় অসাধারণ উচ্চ ব্যর্থতার হার শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    ইংরেজি এবং অন্যান্য মূল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বল পারফরম্যান্স পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এই ফলাফল শিক্ষা ব্যবস্থায় কোন ধরনের ত্রুটি রয়েছে তার ইঙ্গিত দেয় এবং জরুরি সংস্কার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

    শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের আরও কার্যকর সহায়তা প্রদানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

  • বিদেশে পড়ার সময় খণ্ডকালীন কাজের নিয়মকানুন

    বিদেশে পড়ার সময় খণ্ডকালীন কাজের নিয়মকানুন

    বিদেশে উচ্চশিক্ষার সময় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক চাপ মোকাবেলা করতে খণ্ডকালীন কাজ করেন। এই কাজ শিক্ষা খরচ পরিশোধ এবং ব্যক্তিগত খরচ কমাতে সাহায্য করে। তবে এই কাজ করার আগে গন্তব্য দেশের আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অপরিহার্য।

    বেশিরভাগ দেশেই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকে। সাধারণত ক্লাসের সময় সীমিত সময় এবং ছুটির দিনে বেশি সময় কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। কাজের ধরন এবং পারিশ্রমিকও নিয়ন্ত্রিত থাকে। স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে কাজ করলে ভিসা বাতিল এবং দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    শিক্ষার্থীদের প্রথমেই তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। দেশের অভিবাসন আইন, কর ছাড় এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা প্রয়োজন। নিয়মিত এবং অননুমোদিত কাজের পার্থক্য বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

  • দেশের উন্নয়নে যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি

    দেশের উন্নয়নে যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি

    বাংলাদেশের যুবসমাজকে জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখে দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগ দিতে হবে। বৈশ্বিক অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের প্রতিযোগিতার মধ্যে দেশের তরুণরা প্রচলিত ক্যারিয়ার পথেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।

    আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুবকদের দক্ষতা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক এবং বাজারসম্মত হতে হবে। শুধুমাত্র তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে বাস্তব প্রয়োগের দিকে নজর দেওয়া জরুরি যাতে তারা কর্মক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

    যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বরং জাতীয় অগ্রগতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাই দক্ষ এবং সচেতন যুবকদের গড়ে তোলা দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি অপরিহার্য বিনিয়োগ।

  • প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পাবে বই, পোশাক ও জুতা

    প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পাবে বই, পোশাক ও জুতা

    সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ শিশুকে প্রতি বছর বিনামূল্যে স্কুল বই, পোশাক, জুতা এবং পরিবেশবান্ধব পাটজাত ব্যাগ প্রদানের পরিকল্পনা করেছে।

    এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের স্কুলে যোগদান বৃদ্ধি করা, ঝরে পড়ার হার কমানো এবং দরিদ্র পরিবারের আর্থিক চাপ লাঘব করা। একটি সমতামূলক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

    এটি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ এবং প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষকের শিক্ষার্থীরা সফল হয়েছে

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষকের শিক্ষার্থীরা সফল হয়েছে

    যুক্তরাষ্ট্রে একজন বাংলাদেশি শিক্ষক তার ১০৪ জন শিক্ষার্থীর সাফল্য উদ্‌যাপন করেছেন। এই শিক্ষকের সানারিজ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাগত লক্ষ্য অর্জন করেছে। এটি বাংলাদেশি শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে অবদানের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

    সানারিজ প্রোগ্রামটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক উদ্যোগ। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এবং একাডেমিক উন্নতি সাধন করতে পারে। বাংলাদেশি শিক্ষক এই প্রোগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

    এই সাফল্য দেখায় যে বাংলাদেশি শিক্ষকরা বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করতে সক্ষম। তাদের প্রচেষ্টা এবং নিবেদন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করছে এবং এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।