Author: Deshmeta News

  • এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রাজশাহী স্টার্সের টানা দ্বিতীয় পরাজয়

    এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রাজশাহী স্টার্সের টানা দ্বিতীয় পরাজয়

    মালয়েশিয়ার লিকাস স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রিলিমিনারি রাউন্ডে রাজশাহী স্টার্স স্থানীয় দল সাবাহ এফসির কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছে। মোছাম্মাৎ সুলতানা বক্সের বাইরে থেকে একটি দুর্দান্ত গোল করেছিলেন, কিন্তু তা দলের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

    এ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে এই পরাজয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্লাবটির জন্য আরও চ্যালেঞ্জিং অবস্থা তৈরি করেছে। টানা দুই ম্যাচে হেরে দলটি এখন টুর্নামেন্টে কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে।

    নকআউট পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য রাজশাহী স্টার্সকে এখন অবশিষ্ট ম্যাচগুলোয় শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখাতে হবে এবং ফলাফল উল্টাতে হবে।

  • মির্জা ফখরুল ৩৫ বছরের পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত

    মির্জা ফখরুল ৩৫ বছরের পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তিনি ৩৪৩টি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ২৫৫টি ভোট পেয়েছেন। তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিএনপি জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল তার প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের চেয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট বেশি পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ মোট ৮৮ ভোট অর্জন করেছেন। এর অর্থ মির্জা ফখরুল তার জোটের বাইরে থেকেও অতিরিক্ত ১১ ভোট পেয়েছেন।

    নির্বাচনি ফলাফলের গেজেট শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ সরাসরি ভোটের এই পদ্ধতি গত তিন দশকে প্রথমবার ব্যবহৃত হয়েছে।

  • ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত বৈধ

    ঢাবি শিক্ষক তাশরিককে সাময়িক বরখাস্ত বৈধ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ তাশরিককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আইনি দিক থেকে বৈধ বলে মতামত দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং প্রশাসনিক নীতিমালা অনুসরণ করে নেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যথাযথ কর্মপ্রক্রিয়া মেনে চলার মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন এবং কর্মচারী পরিচালনার নীতিমালা সম্পূর্ণভাবে মেনে চলা হয়েছে।

    এই বিষয়টি শিক্ষক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন মতামত তৈরি করেছে। তবে প্রশাসনিক দিক থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপ বৈধ বলে আইনি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

  • রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং সুবিধা কী

    রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং সুবিধা কী

    বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সংবিধানে তাকে রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির উপরে স্থান দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের সকল আনুষ্ঠানিক কাজকর্ম রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়।

    তবে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা প্রধানত প্রতীকী। তিনি রাষ্ট্রের প্রথম নাগরিক হলেও সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক গুরুত্বের তুলনায় সীমিত।

    রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান, সংসদ আহ্বান এবং আইন স্বাক্ষর করেন। তিনি সংবিধানের আওতায় সমন্বয়ক ভূমিকা পালন করেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করেন।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ছয় এমপি ভোট দেননি

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ছয় এমপি ভোট দেননি

    জাতীয় সংসদের ছয় সদস্য সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় সদস্যের মধ্যে বিএনপির তিনজন, জামায়াত-ই-ইসলামীর একজন, খেলাফত মজলিশের একজন এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রয়েছেন।

    ভোট না দেওয়া বিএনপির তিন এমপি হলেন মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক এবং মোস্তফা কামাল পাশা। এছাড়া জামায়াতের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিশের আবুল হাসান নাম দেখা যায়।

    এই ঘটনা সংসদে উপস্থিতি এবং অংশগ্রহণের প্রশ্ন উঠিয়ে দেয়। সাধারণত সকল সদস্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত হয়।

  • ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

    ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান এবং এর সহায়ক দেশগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। এই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে সোমবার ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর।

    যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূটনৈতিক বা সামরিক সমাধানের পথ দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প তার নতুন কৌশল ঘোষণা করেছেন।

    ইরান সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিকারীদের সহিংসতা: HRW সতর্কতা

    পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিকারীদের সহিংসতা: HRW সতর্কতা

    মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW) জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সরকার-সমর্থিত বসতিকারীদের সহিংসতার কারণে পশ্চিম তীরে দর্জনখানেক ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় স্থানচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এই সহিংসতা ক্রমাগত তীব্র হচ্ছে এবং হাজারো মানুষ তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

    HRW আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে এই সংকটের বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে। সংস্থাটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক সহায়তা স্থগিতের জন্য আহ্বান করেছে যাতে এই অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করা যায়।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করছে। ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজ সংস্থাগুলো এই সংকটের নথিভুক্তকরণ অব্যাহত রেখেছে।

  • হরমুজ প্রণালীতে জাহাজীরা ইরানকে বেশি ভয় পায় আমেরিকার চেয়ে

    হরমুজ প্রণালীতে জাহাজীরা ইরানকে বেশি ভয় পায় আমেরিকার চেয়ে

    হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া বেশিরভাগ জাহাজ তাদের পরিচয় লুকানোর চেষ্টা করছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে জাহাজের মালিক এবং অপারেটররা নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করছে।

    গবেষণা থেকে জানা যায়, এই অঞ্চলে চলাচলকারী নৌযান ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াকে আমেরিকার তুলনায় বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখে। এটি আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়।

    হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল চলাচলের পথ। এখানকার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শিপিং শিল্পের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

  • জ্বালানি আমদানি খরচ দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার

    জ্বালানি আমদানি খরচ দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের মোট আমদানি খরচের সাত ভাগের একভাগ এখন জ্বালানি ক্রয়ে ব্যয় হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর জ্বালানি আমদানিতে খরচ ১০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সর্বকালের রেকর্ড পরিমাণ।

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি এই খরচ বাড়ানোর প্রধান কারণ। বিশ্ব অর্থনীতিতে শক্তির চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির চাপও বেড়েছে।

    এই পরিস্থিতি দেশের বাণিজ্য ভারসাম্য এবং বিনিময় হার নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সরকার এবং শিল্প বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদী শক্তি সমাধান এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির পরামর্শ দিচ্ছেন।

  • চীনের এভারগ্রান্ডে প্রতিষ্ঠাতা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত

    চীনের এভারগ্রান্ডে প্রতিষ্ঠাতা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত

    চীনের ধসে পড়া বৃহৎ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এভারগ্রান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হুই কাকে আজীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই রায় এভারগ্রান্ডের বিশাল পতনের পরিণতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত চিহ্নিত করে।

    এভারগ্রান্ডের সংকট চীনের সম্পত্তি খাতকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণ হয়েছিল। কোম্পানিটি ২০২১ সালের শেষ দিকে সংকটে পড়ে এবং বিশাল ঋণের বোঝায় চূর্ণ হয়ে যায়।

    এই সাজা চীনের কর্পোরেট নেতৃত্বের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে। হুই-এর সাজা রিয়েল এস্টেট খাতে নিয়ন্ত্রক তদারকি কঠোর করার একটি অংশ।