সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে চেনা একজন বন্ধু ভালো চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সীমান্ত পার করতে বলে। কোনো নথি বা পাসপোর্ট ছাড়াই একজন নারী এই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে বর্ডার অতিক্রম করেন। সৌন্দর্য সেবা প্রতিষ্ঠানে কাজের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।
তিনি যৌন শোষণের শিকার হন এবং পরবর্তীতে কারাগারে আটক হন। পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকায় ফেরার পর তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তার গল্প শুধু ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক শ্রম পাচার নেটওয়ার্কের একটি প্রকৃত উদাহরণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিথ্যা চাকরির প্রতিশ্রুতি এবং অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে এধরনের পাচার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত যুবক-যুবতীদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের আশা এই ঝুঁকির প্রধান কারণ। সচেতনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

Leave a Reply